নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের অস্বাভাবিক শেয়ারদর ও লেনদেন বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চেয়ে ২০ আগস্ট কোম্পানিটির কাছে চিঠি পাঠায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো জবাব দেয়নি নর্দান জুট। ডিএসই সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গত ২৯ জুলাই নর্দান জুটের শেয়ারদর ছিল ১০২ টাকা ৭০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১২০ টাকা ১০ পয়সায়। এ সময়ের মধ্যে কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে ১৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
উল্লেখ্য, নর্দান জুটের কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। কোম্পানিটি সর্বশেষ ২০২৯-২০ হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এরপর কোনো আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে না কোম্পানিটি।
সর্বশেষ ২০১৯-২০ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে নর্দান জুটের ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ৩৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৩ টাকা ২৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২০ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮১ টাকা ৬৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে নর্দান জুটের ইপিএস হয়েছে ২৩ টাকা ২৯ পয়সা। আগের হিসাব বছর শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১৭ টাকা ১৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৯ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮০ টাকা ৩৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আগের হিসাব বছরে ২০ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে নর্দান জুট। ১৯৯৪ সালে তালিকাভুক্ত নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি টাকা।